মোহাম্মদপুরে রীতিমতো নকল টাকা ছাপানোর মিনি কারখানা বসিয়ে নিয়েছিল তারা। কিন্তু এক মাসের মাথায় তিন লাখ টাকার জাল নোটসহ ধরা পড়তে হয়েছে এই চক্রের দুজনকে। এদিকে মতিঝিল থানা এলাকা থেকে ২১ হাজার টাকার জাল নোটসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। মোহাম্মদপুর থানাধীন কাদেরিয়া হাউজিং সোসাইটির সি বস্নকের ১নং রোডের ১ নম্বর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দারা। পঞ্চম তলার ফ্ল্যাট থেকে গ্রেফতারকৃতরা হল_ আবুল খায়ের ও হুমায়ুন কবীর। গোয়েন্দা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে জাল টাকা তৈরির প্রতারক চক্রের খোঁজ চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
আমরা চক্রটির সন্ধান পাই।
গতকাল চক্রটির অবস্থান নিশ্চিত হয়ে দুপুরে অভিযান চালানো হয় বলে জানান এসি মশিউর। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকা তৈরি করে বাজারে ছড়িয়ে দিচ্ছিল চক্রটি। এক জায়গায় বেশি দিন অবস্থান করে না জানিয়ে মশিউর বলেন, ফ্ল্যাট থেকে নতুন এক হাজার ও পাঁচশ টাকার প্রায় তিন লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া একটি ল্যাপটপ, উন্নত মানের ২টি এপসন কালার প্রিন্টার ও বিপুল পরিমাণ টাকা ছাপানোর কাগজ উদ্ধার করা হয় ফ্ল্যাট থেকে। মশিউর আরও জানান, পুরো ফ্ল্যাটটি সব সময় নীল পর্দায় ঘেরা থাকত। চক্রের হোতাসহ কয়েকজনকে ধরতে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হুমায়ুন পুলিশকে জানিয়েছে, প্রিন্টিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল সে। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী গত মাসে ১৬ হাজার টাকায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে সে জাল টাকার ব্যবসা শুরু করে।
এদিকে গতকাল বিকাল ৫টায় গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ (দক্ষিণ) মতিঝিল থানাধীন কমলাপুরের ২/১ কবি জসীম উদদ্ীন রোডের হোটেল টাওয়ারে অভিযান পরিচালনা করে। হোটেলের ৩য় তলার ২৫নং কক্ষে অভিযান পরিচালনা করে ২১ হাজার টাকার জাল নোটসহ তিন আসামিকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হল_ জোবাইল আহম্মেদ, সাইদুল ইসলাম ও ডালিম।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান জানান, আসামিরা জানিয়েছে, তারা ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অভিনব কায়দায় জাল টাকার ব্যবসা করত।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। মোহাম্মদপুর থানাধীন কাদেরিয়া হাউজিং সোসাইটির সি বস্নকের ১নং রোডের ১ নম্বর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দারা। পঞ্চম তলার ফ্ল্যাট থেকে গ্রেফতারকৃতরা হল_ আবুল খায়ের ও হুমায়ুন কবীর। গোয়েন্দা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে জাল টাকা তৈরির প্রতারক চক্রের খোঁজ চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
আমরা চক্রটির সন্ধান পাই।
গতকাল চক্রটির অবস্থান নিশ্চিত হয়ে দুপুরে অভিযান চালানো হয় বলে জানান এসি মশিউর। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকা তৈরি করে বাজারে ছড়িয়ে দিচ্ছিল চক্রটি। এক জায়গায় বেশি দিন অবস্থান করে না জানিয়ে মশিউর বলেন, ফ্ল্যাট থেকে নতুন এক হাজার ও পাঁচশ টাকার প্রায় তিন লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া একটি ল্যাপটপ, উন্নত মানের ২টি এপসন কালার প্রিন্টার ও বিপুল পরিমাণ টাকা ছাপানোর কাগজ উদ্ধার করা হয় ফ্ল্যাট থেকে। মশিউর আরও জানান, পুরো ফ্ল্যাটটি সব সময় নীল পর্দায় ঘেরা থাকত। চক্রের হোতাসহ কয়েকজনকে ধরতে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হুমায়ুন পুলিশকে জানিয়েছে, প্রিন্টিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল সে। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী গত মাসে ১৬ হাজার টাকায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে সে জাল টাকার ব্যবসা শুরু করে।
এদিকে গতকাল বিকাল ৫টায় গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ (দক্ষিণ) মতিঝিল থানাধীন কমলাপুরের ২/১ কবি জসীম উদদ্ীন রোডের হোটেল টাওয়ারে অভিযান পরিচালনা করে। হোটেলের ৩য় তলার ২৫নং কক্ষে অভিযান পরিচালনা করে ২১ হাজার টাকার জাল নোটসহ তিন আসামিকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হল_ জোবাইল আহম্মেদ, সাইদুল ইসলাম ও ডালিম।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান জানান, আসামিরা জানিয়েছে, তারা ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অভিনব কায়দায় জাল টাকার ব্যবসা করত।
ডেসটিনি রিপোর্ট-১৪/১০/২০১১
এবার বলুন আমরা কি এ প্রতারক চক্রের হাত থাকে কোন দিন মুক্তি পাব না? এদের কাছে আমাদের কি আ-জীবন জিম্মি হয়ে থাকতে হবে? আর কতো দিন এভাবে চলবে?


valo hica
উত্তরমুছুন